• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ২৩শে মাঘ ১৪৩২ রাত ০১:৪৬:৩৬ (06-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
  • উপমহাদেশের খবর :
সংবাদ ছবি

‘ইরান মিসাইল ব্যবহার করতে পারবে না, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল ওমানের রাজধানী মাস্কাটে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এ আলোচনায় কোন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে, সে বিষয়ে একটি প্রস্তাবিত কাঠামো তৈরি করেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ তুরস্ক, মিসর ও কাতার।৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুইটি সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত কাঠামোর আওতায় ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সীমিত করতে হবে। পাশাপাশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সূত্রগুলো জানায়, চুক্তির কাঠামো অনুযায়ী ইরান আগামী তিন বছর কোনো ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করতে পারবে না। এ সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।বর্তমানে ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মধ্যে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তর করার প্রস্তাবও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।এ ছাড়া হিজবুল্লাহ ও হুতি গোষ্ঠীর মতো সশস্ত্র সংগঠনগুলোর কাছে কোনো ধরনের অস্ত্র বা প্রযুক্তিগত সহায়তা না দেওয়ার শর্ত আরোপের কথা বলা হয়েছে।প্রস্তাবিত কাঠামোতে আরও বলা হয়েছে, ইরান ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করবে না, এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, শুধু ব্যবহার নয়, মিসাইল উৎপাদন সীমিত করা এবং এগুলোর পাল্লা কমিয়ে আনার বিষয়টিও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।একটি সূত্র জানায়, আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ‘অগ্রাসনবিরোধী চুক্তি’ নিয়েও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।তবে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর এই প্রস্তাবিত কাঠামো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কী অবস্থান নিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছে—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির পাশাপাশি দেশটির ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সহায়তার বিষয়গুলোও যেকোনো চুক্তির আওতায় আনতে হবে।সূত্র: আল জাজিরা