• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৯ই চৈত্র ১৪৩২ সকাল ১১:২১:৪৫ (23-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
সংবাদ ছবি

ঈদে কাফনের কাপড়ে বাড়ি ফিরলেন ১২ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে ট্রেন ও বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সাদা কাফনে মোড়ানো মরদেহ গ্রহণ করে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিজ নিজ বাড়ির পথে রওনা দেন স্বজনরা। ঈদের আনন্দঘন সময়ে এমন শোকাবহ ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে গভীর বিষাদ।নিহতরা হলেন- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩), সুধারামের নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩), চাঁদপুরের কচুয়ার তাজুল ইসলাম (৬৮), লক্ষ্মীপুরের সায়েদা (৯), ঝিনাইদহের লাইজু আক্তার (২৬), খাদিজা আক্তার (৬) ও মরিয়ম আক্তার (৪), কুমিল্লা সদরের মো. জোয়াদ বিশ্বাস (২০), মাগুরার ফসিয়ার রহমান (২৬), চুয়াডাঙ্গার সোহেল রানা (৪৬), যশোরের সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৫৫)।কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান জানান, নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।এছাড়া রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিবারের জন্য অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে। রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানান, নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে এক লাখ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় সরকার বহন করবে।রোববার দুপুরে পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকা পরিদর্শন করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।উল্লেখ্য, ২১ মার্চ শনিবার রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।