• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৩১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বিকাল ০৩:১৩:৩৭ (14-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় রিহান পৌরসভার মেয়রসহ নিহত ৫

১৪ জুন ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭:৩৫

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় রিহান পৌরসভার মেয়রসহ নিহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে উচ্ছেদ নির্দেশ জারির পর ব্যাপক বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ১৩ জুন শনিবার নাবাতিয়েসহ অন্তত ২০টি শহর ও গ্রামে চালানো এসব হামলায় এক মেয়রসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ)।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, হামলার আগে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে বাড়িঘর ছেড়ে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে জাহরানি নদীর ওপারে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। উচ্ছেদের সতর্কবার্তার কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় বিমান ও ড্রোন হামলা।

রিহান, সুজুদ, কানা, বাযুরিয়াহ ও খিয়াম এলাকায় একাধিক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। খিয়াম ও কাসিবা এলাকায় ড্রোন হামলায় একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ার খবরও পাওয়া গেছে।

লেবাননের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে জিজিন জেলার রিহান পৌরসভার মেয়রও রয়েছেন। এছাড়া টায়ার জেলার মারাকাহ এলাকায় একজন এবং নাবাতিয়ের দেইর আল-জাহরানিতে বিমান হামলায় আরও দুজন নিহত হন। কাফর হুনাহ এলাকায় একটি ভ্যান লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলার হতাহতের সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

অন্যদিকে, সীমান্ত অতিক্রম করে অগ্রসর হওয়া ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, সীমান্ত থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ভেতরে মাজদাল জুন এলাকার দিকে অগ্রসর হওয়া ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে রকেট ও ভারী অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।

হিজবুল্লাহর দাবি, তাদের পাল্টা আক্রমণের মুখে ইসরায়েলি সেনারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। এদিকে উত্তর ইসরায়েলের মারগালিওত এলাকায় অনুপ্রবেশকারী ড্রোন শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে।

চলমান সংঘাত লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এক ভাষণে দেশটির প্রেসিডেন্ট Joseph Aoun বলেন, লেবানন বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে।

তিনি বলেন, দেশকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর প্রভাবের মধ্যে থাকবে, নাকি আইনের শাসনের ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে অস্ত্রের একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে।

সূত্র: এএফপি

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ











Follow Us