• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ২০শে ফাল্গুন ১৪৩২ রাত ০৯:৪৭:৫৮ (04-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
আনসার একাডেমিতে সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ উদ্বোধন

আনসার একাডেমিতে সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ উদ্বোধন

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্যময় প্রভাতে গাজীপুরের সফিপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমি প্রাঙ্গণে দেশের সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ আনুষ্ঠানিকভাবে এ পতাকা-স্তম্ভ উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনের পর সুউচ্চ স্তম্ভে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হলে একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রশিক্ষণরত সদস্যদের মাঝে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ।একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ নামের পতাকা-স্তম্ভটির উচ্চতা ১২০ ফুট, যা দেশের সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। এতে উত্তোলিত জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ২৮ ফুট এবং প্রস্থ ১৬.৮ ফুট।আয়োজকদের মতে, এই পতাকা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে জাতির গৌরবময় ইতিহাসের প্রতীক হয়ে থাকবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক বলেন, “বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি দেশের সর্ববৃহৎ জনসম্পৃক্ত বাহিনী হিসেবে জাতীয় অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার সদস্য-সদস্যা দায়িত্ব পালন করেছেন, যা সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর মধ্যে সর্বাধিক।”তিনি আরও বলেন, “আজ মহান ভাষা শহিদদের স্মরণের দিন। ভাষাশহিদ আব্দুল জব্বার এ বাহিনীর একজন গর্বিত প্লাটুন কমান্ডার ছিলেন। তাঁর আত্মত্যাগ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ আমাদের গৌরবময় অতীত ও দায়িত্বশীল ভবিষ্যতের প্রতীক হয়ে থাকবে।”তিনি সদস্যদের উদ্দেশে আহ্বান জানান ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত থাকতে।অনুষ্ঠানে বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, একাডেমির কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) ও উপমহাপরিচালক মোহাম্মদ নুরুল আবছারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।একাডেমিতে স্থাপিত ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ কেবল একটি স্থাপনা নয়, ভাষা আন্দোলনের চেতনা, আত্মত্যাগ ও শৌর্যের দৃশ্যমান স্মারক এমন মন্তব্য করেন বক্তারা। ভবিষ্যতেও দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।