• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৮ই আষাঢ় ১৪৩৩ দুপুর ১২:৩৪:২৬ (22-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
২৩ দিন পর আবার চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি

২৩ দিন পর আবার চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি

ডেস্ক রিপোর্ট: ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেলের সংকটে টানা ২৩ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও উৎপাদনে ফিরেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)।দৈনিক ইত্তেফাকের এক অনলাইন প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৮ মে শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে শোধনাগারটিতে পূর্ণদমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। সৌদি আরব থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল দিয়ে পুনরায় পরিশোধন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।এর আগে ভোর ৫টা থেকে ফায়ার্ড হিটারে প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু হয়। এক ঘণ্টার মধ্যে উত্তপ্ত ক্রুড অয়েল থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল উৎপাদন করে নির্ধারিত ট্যাঙ্ক ফার্মে সরবরাহ শুরু করা হয়।মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন এবং কাঁচামালের সংকটের কারণে গত ১৪ এপ্রিল ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়।মেঘনা পেট্রোলিয়ামের সাবেক মহাব্যবস্থাপক আকতার কামাল জানিয়েছেন, পরিশোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উৎপাদিত জ্বালানি দেশের প্রধান তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর কাছে সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি জেটিতে থাকা লাইটারেজ জাহাজ থেকেও তেল খালাস অব্যাহত রয়েছে।ইআরএলের সক্ষমতা অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উৎপাদন সম্ভব। নতুন করে আনা এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করলে ডিজেল, ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, কেরোসিন ও অকটেনসহ বিভিন্ন জ্বালানি পাওয়া যাবে, যা দিয়ে শোধনাগারটি প্রায় ২৫ দিন চালু রাখা সম্ভব।তবে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আগামী ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে নতুন চালান আনতে হবে।জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলতি মাসেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দর থেকে আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক জানিয়েছেন, ফুজাইরা বন্দরটি উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে হওয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব তুলনামূলক কম পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।জাহাজটি ১০ মে রওনা হয়ে ২৫ মে’র মধ্যে চট্টগ্রাম পৌঁছানোর কথা রয়েছে। দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে প্রতি মাসে অন্তত চার লাখ টন তেল আমদানি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ইআরএলের মোট মজুত সক্ষমতা প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার টন অপরিশোধিত তেল।