• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২৮শে পৌষ ১৪৩২ ভোর ০৫:০৫:৫৭ (12-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
‘দি ক্যাপিটাল রিক্রিয়েশন’ ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

‘দি ক্যাপিটাল রিক্রিয়েশন’ ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাঁকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতায় রাজধানীর অভিজাত ক্লাব ‘দি ক্যাপিটাল রিক্রিয়েশন’ ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন ও বর্ণিল মিলনমেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।ঢাকার অদূরে গাজীপুরস্থ ‘রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট এন্ড ভিলেজ সেন্টারে জমজমাট এবং উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী বার্ষিক এ বনভোজনটি অনুষ্ঠিত হলো।১০ জানুয়ারি শনিবার আনন্দঘন বিভিন্ন আয়োজনে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান শুরু হয়।ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আবুল হোসেন দিনভর এ আনন্দময় আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।এসময় ক্লাবের ডিরেক্টরসহ প্রায় ১২ মেম্বারের পরিবার বর্গ ও তাদের আত্মীয় স্বজনের সাথে নিয়ে এক অভূতপূর্ব মিলনমেলায় পরিপূর্ণ করে রিসোর্ট প্রাঙ্গণ।সকাল ১০টার দিকে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট আবুল হোসেন সরকারসহ ক্লাব নেতৃবৃন্দ বেলুন এবং পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা উৎসবের উদ্বোধন করেন।সকালের নাস্তা পর এরপর একে একে অনুষ্ঠিত হতে থাকে উৎসবমুখর বিভিন্ন ইভেন্ট। নামাজের বিরতির আগ পর্যন্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলো, ৬-৯ বছর পর্যন্ত বালকদের ৩০ মিটার দৌড়, ৯-১২ বছর পর্যন্ত বালকদের ৩০ মিটার দৌড়, ৬-৯ বছর পর্যন্ত বালিকাদের দৌড়, ৯-১২ বছর পর্যন্ত বালিকাদের দৌড়, মহিলাদের জন্য চেয়ার পাসিং ও দৌড়, পুরুষদেরও দৌড়, অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়া সকাল থেকেই মূল অনুষ্ঠান মঞ্চ ও এর আশপাশের এলাকাজুড়ে বিক্রি হতে থাকে আকর্ষণীয় রেফেল ড্র এর টিকিট। প্রথম পুরস্কার আকর্ষণে মুড়িমুড়কির মতোই টিকিট কেটেছেন সদস্য এবং অংশগ্রহণকারী অতিথিরা।মধ্যাহ্ন ভোজ বিরতির পর বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে।বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পীদের নেতৃত্বে তাদের দলবলসমেত এবং অন্যান্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর ফাঁকে ফাঁকে চলে লাকী কুপন বিক্রি। আকর্ষণীয় সর্বমোট ৫০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার।এছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিল- বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন প্রকৃতির খেলাধুলার সামগ্রী ইত্যাদি।চা-কফির পাশাপাশি মুখরোচক বর্ণিল খাবারের মধ্যে ছিলো, ঝালমুড়ি, চটপটি, ফুচকা, হাওয়াই মিঠাই, চিকন জিলাপি, খই ইত্যাদি। অনুষ্ঠান সম্পর্কে এক প্রতিক্রিয়ায়।বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলার এ উৎসবকে সংগঠনের ঐতিহ্য এবং রীতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানমালা আমাদের ঐতিহ্যের অহংকার। প্রতিবছর শীতকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা উৎসব একঘেয়েমি জীবনযাত্রা থেকে বের করে সকলের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও আত্মার সম্পর্ক সৃষ্টি করবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।অনুষ্ঠান শেষে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, আমার ক্লাবের ডাইরেক্টর এডমিন, পিকনিক উদযাপন কমিটির পরিচালকসহ পিকনিকের সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিক দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে শীতকালীন তথা বনভোজনের আয়োজন করা দরকার, আজকের অনুষ্ঠানটি ছিল উপভোগ্য।