কক্সবাজারে পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ মনখালী গ্রাম
কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহর থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার মনখালী গ্রামের অবস্থান। সম্প্রতি এই মনখালী গ্রামকে ঘিরেই বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংবাদিক ইমরুল কাওসার ইমনের নির্মিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর গ্রামটি পরিচিতি পেয়েছে ‘কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড’ নামে।ভিডিওতে ইমন মনখালীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে তুলনা করেন। কয়েক দিনের মধ্যেই ভিডিওটি মনখালীর মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা স্থানটিকে ‘কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড’ আখ্যা দিয়ে নতুন নতুন ভিডিও তৈরি করছেন। স্থানীয়রা সেখানে একটি অস্থায়ী বোর্ডও টানিয়ে দিয়েছেন। এরপর শুরু হয় দর্শনার্থীদের আনাগোনা।স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলিত এই এলাকা এখন আলোচনায় এসেছে। তাদের বিশ্বাস, মনখালীকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিকশিত হতে পারে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প।এ বিষয়ে সাংবাদিক ইমন বলেন, মনখালীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে আমার মনে হয়েছিল এটি কোনো অংশেই সুইজারল্যান্ডের চেয়ে কম নয়। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে আমাদের নতুনভাবে কাজ করা দরকার। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্র্যান্ডিং করা গেলে মনখালী দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হতে পারে।স্থানীয় সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম জিসান জানান, মনখালীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবসময়ই পর্যটক আকর্ষণের মতো। কিন্তু এতদিন কোনো প্রচার-প্রচারণা হয়নি। পর্যটকদের অনেকেই পাটুয়াটেক সৈকত পর্যন্ত গিয়েই ফিরে আসেন, মনখালীর নামও শোনেননি। এখন কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড পরিচিতির কারণে এলাকা ঘিরে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সেলিম উদ্দিন সিরাজী বলেন, মনখালী একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। এখানে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।মনখালী গ্রামবাসীও এ নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। তাদের আশা, সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে অবকাঠামো উন্নয়ন করা হলে তাদের গ্রামটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হবে।