• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ২০শে ফাল্গুন ১৪৩২ রাত ১১:৪০:৪৮ (04-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
ঢাকা-৬ আসনের উদ্যোগে যুব সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঢাকা-৬ আসনের উদ্যোগে যুব সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-৬ আসন কমিটির উদ্যোগে ৪ মার্চ বুধবার যুব সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান। মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য মো. কামরুল আহসান হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসাইন এবং জকসু জিএস আব্দুল আলীম আরিফ।অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য মাষ্টার রুহুল আমিন, মির বাহার আমিনুল ইসলাম, নেছার উদ্দিনসহ ঢাকা-৬ সংসদীয় এলাকার সকল সাংগঠনিক থানা আমীর-সেক্রেটারিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আব্দুল মান্নান বলেন, রোজা হচ্ছে তাকওয়া অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। রোজা লোক দেখানোর জন্য নয় রোজা স্বয়ং আল্লাহর জন্য। রোজা মানুষকে নিষ্পাপ করে দেওয়ার সুযোগ। আল্লাহকে ভয় করার বৈশিষ্ট্য অর্জন করাই রোজার উদ্দেশ্যে হাসিল করা। রোজার আগে দুর্নীতি-চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী করলেও রোজার পরে যদি সেটি না করে তবেই রোজা পালনের স্বার্থকতা অর্জন হবে। কিন্তু কোনো ব্যক্তি যদি রোজা পালন করার পরও আগের মতোই দুর্নীতি-চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী করে তবে ঐ রোজা পালন অনর্থক।তিনি আরও বলেন, আল্লাহ রমজান মাসকে এতো মর্যাদা দিয়েছেন এই মাস কুরআন নাজিলের মাস। যেমনিভাবে কুরআন নাজিলের কারণে মাস মর্যাদাপূর্ণ হয় ঠিক তেমনিভাবে কোনো ব্যক্তি কুরআন নিজের মাঝে লালন ও ধারণ করলে সেই ব্যক্তিও আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান হবেন। একইভাবে সমাজ এবং রাষ্ট্র যদি কুরআন ধারণ করে তবে সমাজ ও রাষ্ট্র পৃথিবীর মধ্যে মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হবে। এজন্য কুরআনের বিধান কায়েম করা ব্যতিত ব্যক্তি জীবন, সমাজ কিংবা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় সাফল্য নাই। তাই কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।ড. মান্নান উপস্থিত যুব সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, যুবকরা হচ্ছে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। পৃথিবীতে যত বিপ্লব, যত পরিবর্তন হয়েছে সবগুলোই যুব সমাজ হাত ধরে হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামেও যুব সমাজের ভূমিকা অনস্বীকার্য।সবশেষে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানও যুব সমাজের নেতৃত্ব অর্জিত। জুলাই চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কোনো টালবাহান এদেশের ছাত্র-জনতা মেনে নেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদেশের ছাত্র সমাজ তাদের সহপাঠী, সহযোদ্ধাদের রক্তের সাথে কাউকে বেঈমানি করতে দেবে না। জুলাই নিয়ে যেকোন ষড়যন্ত্র রুখে দিতে তিনি যুব সমাজকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।