• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ১৬ই ভাদ্র ১৪৩২ সন্ধ্যা ০৭:২০:৪১ (31-Aug-2025)
  • - ৩৩° সে:
সংবাদ ছবি

র‍্যাগিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে জিরো-টলারেন্স ইবি কর্তৃপক্ষের

ইবি প্রতিনিধি: র‍্যাগিং ও যৌন হয়রানির প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন। ঘোষণা দিলেন জিরো-টলারেন্স।১১ আগস্ট সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় এন্টি-র‍্যাগিং ভিজিলেন্স কমিটি এবং উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকল্পে পুনর্গঠিত কমিটির সদস্যবৃন্দ সমন্বয়ে প্রশাসন ভবনের দ্বিতীয় তলায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ’র সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক, এন্টি-র‍্যাগিং ভিজিলেন্স কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামান, কমিটির সদস্য ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম।এছাড়া প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী, ফাইন আর্টস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান এবং সদস্য-সচিব উপ-রেজিস্ট্রার মো. সালাউদ্দিন মোল্লা, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকল্পে পুনর্গঠিত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি, কমিটির সদস্য আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. শরিফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোছা. খোদেজা খাতুন, অধ্যাপক ড. মোছা. হামিদা খাতুন, তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. সাহেদ হাসান।এ বিষয়ে জানতে চাইলে এন্টি-র‍্যাগিং ভিজিলেন্স কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘র‌্যাগিং বিরোধী প্রচারে আমরা বেশ কিছু কাজ হাতে নিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং জিরো-টলারেন্স। র‌্যাগিং এর সাথে জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে।’এসময় সভায় উপাচার্য কমিটি দু্ইটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আলাদা অফিসরুমের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের সমাজে যৌন নির্যাতনের বিষয়ে অনেকেই অভিযোগ করতে চায় না। ফলে অপরাধীরা ছাড় পেয়ে যায়। অভিযোগ করলেও, তা করে চূড়ান্ত মুহূর্তে। যে সময় অভিযোগ করলে জাতীয় পত্রিকায় আসবে; এসময় অভিযোগ করে। তখন কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে আর কিছু থাকে না। এজন্য তিনি কমিটির সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন জায়গাভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেয়ার নির্দেশনা দেন।