• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ৭ই মাঘ ১৪৩২ বিকাল ০৪:১১:১১ (20-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব সদস্য নিহত

জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব সদস্য নিহত

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‌্যাবের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও তিন র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।১৯ জানুয়ারি সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ১০ নম্বর সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।এতে আহতরা হলেন-ডিআইডি মোতালেব, ল্যান্স নায়েক ইমাম, নায়েক আরিফ ও কনস্টেবল রিফাত।তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডিআইডি মো. মোতালেব মারা যান।বর্তমানে বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ সূত্র জানায়, সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ১০ নম্বর সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে যায় র‌্যাব-৭-এর একটি দল। অভিযানের সময় জঙ্গল সলিমপুরে অবৈধভাবে গড়ে তোলা সন্ত্রাসীদের আস্তানার কাছাকাছি পৌঁছালে ইয়াছিন বাহিনীর সদস্যরা র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।গুলিবর্ষণের ঘটনায় র‌্যাবের ৪ সদস্য গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঘটনার পর সন্ত্রাসীদের পক্ষ থেকে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে আবদুল মোতালেব নামে এক র‍্যাব সদস্য নিহত হয়েছে। ওই এলাকায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে।জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা নতুন নয়। এর আগে অভিযানে গিয়ে একাধিকবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‍্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময় হামলার শিকার হয়েছেন গণমাধ্যমের কর্মীরাও।জানা গেছে, সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রায় চার দশক ধরে সরকারি পাহাড় ও খাস জমি দখল করে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়খেকো, ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। এলাকাটি এখনো সশস্ত্র পাহারায় নিয়ন্ত্রিত হয় এবং বহিরাগতদের প্রবেশ কার্যত নিষিদ্ধ।