• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৯ই চৈত্র ১৪৩২ সন্ধ্যা ০৬:০৮:৫৯ (23-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
শ্রীপুরে সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তি চরমে

শ্রীপুরে সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তি চরমে

গাজীপুরের (শ্রীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নয়নপুর বাজার থেকে মেডিকেল মোড় পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শ্রমিক ও পথচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, অনেক সময় যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।স্থানীয়রা জানান, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির এমন অবস্থার পরও সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে মাওনা–গাজীপুর বাজার সড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী এ সড়কটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি)। প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির আশপাশে রয়েছে অন্তত চারটি বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন ভারী যানবাহনের পাশাপাশি হাজারো শ্রমিক ও স্থানীয় মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন।এলজিইডি সূত্র আরও জানায়, সড়কটির গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১৩ সালে এক কিলোমিটার অংশে এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ডিং) পদ্ধতিতে উন্নয়নকাজ করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে শিল্পকারখানার পানি নিষ্কাশনের জন্য একাধিকবার খোঁড়াখুঁড়ির কারণে সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়ে পড়ে। এরপর আর কোন সংস্কারকাজ করা হয়নি।স্থানীয় অটোরিকশাচালক আবদুল মালেক বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে সড়কের অবস্থা এমন হয় যে অনেক সময় গাড়ি চালানোই যায় না। বর্ষা শেষে খানাখন্দের মধ্যে দিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। তীব্র ঝাঁকুনির কারণে যাত্রীরাও উঠতে চায় না।’রিদিশা নিটেক্স কারখানার শ্রমিক আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘সড়কটিতে এত বেশি খানাখন্দ যে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অনেক সময় গাড়ি উল্টেও যায়। বাধ্য হয়ে আমরা হেঁটে যাতায়াত করি, এতে সময় বেশি লাগে। সড়কটি সংস্কার হলে আমাদের কষ্ট কমবে, সময়ও বাঁচবে।’এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘নয়নপুর বাজার থেকে মেডিকেল মোড় পর্যন্ত সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি আমরা অবগত। আপাতত এ সড়কের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। তবে প্রাক্কলন তৈরি করে ঊর্ধ্বতন দপ্তরে পাঠানো হবে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।’