আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে অন্তত ১৫০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। স্থানীয় সময় ১১ মার্চ বুধবার সন্ধ্যার পর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এসব রকেট ছোড়া হয় বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী।
টাইমস অব ইসরাইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীটি উত্তর ইসরাইলের হাইফা ও কিরিয়াত শমনা লক্ষ্য করে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শতাধিক রকেট ছুড়ে। আকস্মিক এই হামলায় উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি বসতি এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।


এদিকে বুধবার রাতে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। রাজধানী বৈরুত, দাহিহ, দক্ষিণাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকায় একযোগে বিমান হামলা চালানো হয়। ইসরাইলের দাবি, হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।

অন্যদিকে ইরানেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। দেশটির মারিভান শহরে বড় ধরনের হামলার অভিযোগ তুলেছে তেহরান। ইরানের দাবি, এসব হামলায় বেসামরিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই দিনে রাজধানী তেহরানের কিছু এলাকাতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এর জবাবে ইসরাইলের হাইফা, পশ্চিম তীর ও জেরুজালেম লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। সাইরেন বেজে উঠলে অনেক ইসরাইলি নাগরিককে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে দেখা যায়।
এদিকে ইরানে হামলার জবাবে ওমানের সালালাহ বন্দরে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। হামলার পর সেখানে জ্বালানি ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।
একই দিনে আরব আমিরাত ও বাহরাইনের আকাশসীমায় ইরানের দিক থেকে আসা কয়েকটি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিরক্ষা বাহিনী। সৌদি আরবের শায়বাহ তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করেও ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছে রিয়াদ।
যুদ্ধের প্রভাবে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা বেড়েছে। ওমান উপকূলে কয়েকটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি থাই জাহাজের কয়েকজন নাবিককে উদ্ধার করেছে ওমানের নৌবাহিনী।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available