আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লেবাননে কার্যকর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই প্রায় ৫০০টি স্থানে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহর হামলায় পাঁচজন ইসরায়েলি সেনা নিহত এবং আরও ৩৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
৫ মে মঙ্গলবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিও জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীর পাঁচ সদস্য নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র নিয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। প্রচারমাধ্যমটি জানায়, নিহতদের মধ্যে তিনজন বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন হামলায় এবং দুজন হাতে তৈরি বিস্ফোরক ডিভাইসের আঘাতে নিহত হন। এছাড়া ৩১ জন বিস্ফোরক যন্ত্রে এবং দুজন হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন।


সাম্প্রতিক সময়ে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা ইসরায়েলের জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এসব ড্রোনকে ‘বড় হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সেনাবাহিনীর রেডিওর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী প্রায় ৫০০টি স্থানে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সব লক্ষ্যবস্তু ছিল দক্ষিণ লেবাননে; একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল বেকা অঞ্চলের একটি স্থান।

সেনা রেডিও বলেছে, ‘এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে দক্ষিণ লেবাননে কার্যত কোনো যুদ্ধবিরতি নেই।’ ১৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়ে ১৭ মে পর্যন্ত তা বাড়ানো হলেও, ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননে প্রতিদিন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে বহু গ্রামে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন দেশটিতে। এর ফলে ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৬৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় আহ হয়েছেন ৮ হাজার ২৬৪ জন লেবানিজ।
সূত্র: আনাদোলু
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available