• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২৬শে মাঘ ১৪৩২ ভোর ০৫:২৩:৩৩ (09-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালায়, তবে এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। তবে এ ধরনের হামলাকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে না বলে স্পষ্ট করেছে তেহরান।৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এসব কথা বলেন।ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা শেষে এ মন্তব্য করেন আরাঘচি। তিনি জানান, পরবর্তী দফার আলোচনার নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আলোচনা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই হতে পারে। এ প্রসঙ্গে আরাঘচি বলেন, তেহরান ও ওয়াশিংটন উভয় পক্ষই মনে করে, আলোচনা দ্রুত হওয়া প্রয়োজন।প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নৌ ও সামরিক শক্তি জড়ো করার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি দাবি করেন, ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করতে হবে। তবে ইরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।আব্বাস আরাঘচি বলেন, কূটনৈতিক আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে হলে হুমকি ও চাপের রাজনীতি থেকে সরে আসা জরুরি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান কেবল পারমাণবিক ইস্যু নিয়েই আলোচনা করবে; যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য কোনো বিষয়ে সংলাপে বসার পরিকল্পনা নেই।উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। এর পর তেহরান দাবি করে, তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করেছে। ওই হামলার জবাবে ইরান কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। কাতার সে সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় দেশের সঙ্গেই কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছিল।নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পরিস্থিতি একই ধরনের হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন আরাঘচি। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারব না, তবে এই অঞ্চলে তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলো আমাদের লক্ষ্যবস্তু হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা করব না। বরং সেসব দেশে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানব। এই দুইয়ের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।’