• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ২৩শে মাঘ ১৪৩২ রাত ০১:৫৩:৩৫ (06-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য জামায়াতের ৪ প্রতিশ্রুতি

ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য জামায়াতের ৪ প্রতিশ্রুতি

ডেস্ক রিপোর্ট: ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের দেশে পাহাড়-সমতল নিয়ে কথা আছে। দেশটা খুবই ছোট। বিপুল সংখ্যক জনবল আমাদের। এই দেশে পাহাড়-সমতল নিয়ে কেনো কথা হবে? দেশে পাহাড়-সমতল ব্যবধান ঘুচিয়ে সমাধান করব। আমরা দেশের এই পাহাড়-সমতল রেষারেষি হিংসা-হিংসি দূর করতে চাই।৪ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ ঘোষণাকালে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। তাছাড়া লিখিত ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে জামায়াত ইসলামী ৪টি বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে এসব প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্যবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় দলটি।পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, পাহাড়ে যারা বসবাস করেন তারা যদি তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের পাওনা তাদের হাতে আমরা তুলে দেব। তারা যেন আস্থা এবং গর্বের সাথে মনে করেন যে এই দেশটা আমার, আমি যেন এই দেশ গড়তে পারি। হয়ত বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদের ন্যায্যতা থেকে বঞ্চিত করে তাদের দুর্বল জায়গায় টোকা দিয়ে কেউ কেউ তাদের খেপিয়ে তুলে দেশের বিরুদ্ধে ক্ষতি করার চেষ্টা করে।পাহাড়ে অশান্তি লেগে আছে অভিযোগ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই অশান্তি আর দেখতে চাই না। আমরা এই অশান্তির অবসান চাই। এই পাহাড় রক্ষা করতে গিয়ে আমার জানামতে সেনাবাহিনীর ১০ হাজারেরও অধিক সদস্যকে জীবন দিতে হয়েছে। কেন? কেন আমার দেশের এতো সেনা সদস্যকে জীবন দিতে হবে। এর পেছনে কারা আছে? এর পেছনে কারণ কী? এর যৌক্তিক সমাধান খুঁজে বের করা হবে। যে সমাধান পেয়ে সবাই আনন্দিত হবেন- ইনশাআল্লাহ।লিখিত ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে জামায়াত ইসলামীর  প্রতিশ্রুতিসমূহ হলো-এক. পার্বত্য চট্টগ্রামের জনসাধারণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।দুই. পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ জনসাধারণের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, পানি) প্রাপ্তি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।তিন. পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনসাধারণের মধ্যে বিভেদ ও বৈষম্য বিদূরীকরণ এবং সকল জনগোষ্ঠীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে৷চার. পার্বত্য তিনটি জেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।