ডেস্ক রিপোর্ট: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সূর্যকিরণ। সূর্য যেমন আলো দিয়ে অন্ধকার দূর করে, রবীন্দ্রনাথও তাঁর কালজয়ী সাহিত্যের মাধ্যমে আমাদের চেতনার অন্ধকার দূর করেছেন। কবির সাহিত্যকে সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
কবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে বিশ্বকবির ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে গতকাল (শুক্রবার) তিনদিনের এ অনুষ্ঠান শুরু হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন আপাদমস্তক একজন মানবতাবাদী ও কৃষক দরদি ব্যক্তিত্ব। প্রজাদের সাথে তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল, যা প্রচলিত রাজকীয় প্রথা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
শিলাইদহকে বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতির জীবন্ত স্মারক হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করার মাধ্যমে এই কুঠিবাড়িকে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক স্মারক বক্তব্য দেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ওয়াকিল আহমেদ।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ; কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেন; সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন হাসান।
উদ্বোধনী আলোচনা শেষে মন্ত্রী কুঠিবাড়ির জাদুঘর পরিদর্শন করেন এবং কবির সংরক্ষিত স্মৃতিচিহ্নসমূহ অবলোকন করেন। এরপর উন্মুক্ত মঞ্চে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী শ্রেহা খাতুনের উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available