• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ২৩শে মাঘ ১৪৩২ রাত ০৩:২৭:০৮ (06-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:

বাস থামিয়ে কিশোরীর কথা শুনলেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনী জনসভা শেষে গাজীপুরের জনসভায় যোগ দিতে বিশেষ বাসে রওনা দেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার  সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকায় এক কিশোরীর ইশারায় হঠাৎ গাড়িবহর থামান তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরীর হাত নাড়ানো তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বাস থামানোর নির্দেশ দেন। বাস থামার পর কিশোরী বাসের দরজার সামনে এগিয়ে এলে তারেক রহমান নিজেই দরজা খুলে তার সঙ্গে কথা বলেন।ওই কিশোরীর নাম সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান। তিনি সাহেরা নায়েব ল্যাবরেটরি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অত্যন্ত স্বচ্ছন্দ ও সাবলীলভাবে নিজের অনুভূতির কথা তারেক রহমানের কাছে তুলে ধরেন রেয়ান।এ সময় রেয়ান বলেন, আমি মনে করেছিলাম, মানুষের ও জনগণের সেবা করে রাজনীতি করে নিজের যোগ্যতায় ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে গিয়ে আপনার সঙ্গে দেখা করব। আমার রক্তে রাজনীতি। আমি রাজনীতি ছাড়ব না। আমার জন্য দয়া করে দোয়া করবেন।রেয়ানের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন তারেক রহমান। তিনি কিশোরীর মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং তার সঙ্গে হাত মেলান। এরপর রেয়ান বলেন, আপনি আমার সঙ্গে দেখা করেছেন, এতে আমি অনেক খুশি। এটা আমার অনেক দিনের শখ ছিল। থ্যাংক ইউ।একপর্যায়ে কিশোরী সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটি বাঁধানো ছবি তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়ে অনুরোধ করেন সেটি গ্রহণ করতে। তারেক রহমান সানন্দে ছবিটি গ্রহণ করেন এবং কিশোরীকে ধন্যবাদ জানান।জয়ী হলে সবার আগে জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান করা হবে, উত্তরায় তারেক রহমানএই ঘটনা প্রসঙ্গে উচ্ছ্বসিত রেয়ান বলেন, হঠাৎ গাড়িটা আমার সামনে থামল, উনি আমার সঙ্গে কথা বললেন আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। খালেদা জিয়ার ছবিটা উনি হাসিমুখে নিলেন এবং আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। মনে হচ্ছে আজ আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।রেয়ানের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক সোহেল বলেন, আমাদের পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। মেয়েটি দুপুর থেকে তারেক রহমানকে দেখতে না পেরে খুব কাঁদছিল। তিনি গাড়ি থামিয়ে ওর সঙ্গে কথা বলায় আমরা পুরো পরিবার কৃতজ্ঞ।